Lifestyle Others
জানেন কি , কোন প্রসাধনীর মেয়াদ কতদিন !!!
সাজগোজের জন্য প্রায় সকলেই বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। এবং সকলেই জানেন এসব প্রসাধনীর একটি নির্দিষ্ট মেয়াদকাল আছে যা পার হলে এসব প্রসাধনী আর ব্যবহার করার উপযোগী থাকে না। অনেকেই জানেন না যে কোন প্রডাক্টের সিল খুলে দেওয়ার পর উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করে ফেলতে হয়। একবার বাতাসের সংস্পর্শে এলে কসমেটিক্সের মাইক্রোবায়োলজিকাল পরিবর্তন ও অক্সিডেশন শুরু হয়। আবার অনেকেই প্রসাধনীর একই পণ্যের একাধিক স্টক রাখেন , এবং ধারনা করেন সিল করা অবস্থায় প্রসাধনী পণ্যটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এই ধারনা সম্পূর্ণ ভুল।
প্রতিটি প্রসাধনীর যেমন উৎপাদনকাল আছে, তেমনই মেয়াদকালও আছে । তাই নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যেই সেসব প্রসাধনী ব্যবহার করে ফেলা উচিত। আবার কিছু পন্য আছে যা পন্যের গায়ে লেখা মেয়াদকালের আগেই তার মেয়াদ পার হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেসব পন্য ব্যবহার করা উচিত।
চলুন এবার জেনে নিই পন্যের গায়ে লেখা মেয়াদ ছাড়াও কোন পন্যের মেয়াদ আসলে কতদিন বা কোন প্রসাধনী কতদিন ব্যবহার করার উপযোগী থাকে -
লিকুইড আইলাইনার: লিকুইড আইলাইনার তিনমাসের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
মাস্কারা: কসমেটিক্সের মধ্যে মাস্কারা তিন থেকে ছয়মাসের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
ক্রিম আইশ্যাডো: ক্রিম আইশ্যাডো ছয়মাস পর্যন্ত ব্যবহারোপযোগী থাকে।
লিকুইড ফাউন্ডেশন: লিকুইড ফাউন্ডেশন ছয়মাস থেকে একবছর আর পাউডার হলে দেড় বছরের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
পাউডার আইশ্যাডো, লিপস্টিক ও লিপগ্লস: পাউডার আইশ্যাডো, লিপস্টিক ও লিপগ্লস দুইবছরের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
সানস্ক্রিন: সানস্ক্রিন ছয়মাসের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
নেইল পলিশ: নেইল পলিশ ১ বছর ভালো থাকবে।
লিপলাইনার: লিপলাইনার তিন বছরের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
ফেইস ক্লিঞ্জার: ফেইস ক্লিঞ্জার এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।
ফেইস টোনার: এটি একধরনের বিশেষ তরল যাতে ব্যাক্টেরিয়া সহজেই বাসা বাঁধে। টোনার ছয় মাস থেকে এক বছর ভালো থাকে। যদি এর রং, ঘনত্ব বা গন্ধে কোনো রকম পরিবর্তন হয় তাহলে তা ব্যবহার করা বাদ দিতে হবে।
ময়েশ্চারাইজার: অনেক ক্রিম এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।
সুগন্ধি: ভালোভাবে সংরক্ষণ করা হলে তা অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে। প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর।
সকল পন্যের গায়ে থাকা মেয়াদকালের আগেও অনেক পন্যের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় যা সবসময় বুঝতে পারা যায় না । আবার নকল পন্যের ছড়াছড়ি বেশি হওয়ায় পন্যের মেয়াদ তারিখের পাশাপাশি আসল-নকল পন্য চেনাও এখন খুবই দুষ্কর । তাই প্রসাধনী ব্যবহারে সচেতন হোন , মেয়াদকাল, আসল-নকল যাচাই করে পন্য কিনুন, এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্তই সেসব ব্যবহার করুন । মনে রাখবেন, সামান্য অসচেতনতা বা অসাবধানতা অনেক বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।
Lifestyle Others
জানেন কি , কোন প্রসাধনীর মেয়াদ কতদিন !!!
সাজগোজের জন্য প্রায় সকলেই বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। এবং সকলেই জানেন এসব প্রসাধনীর একটি নির্দিষ্ট মেয়াদকাল আছে যা পার হলে এসব প্রসাধনী আর ব্যবহার করার উপযোগী থাকে না। অনেকেই জানেন না যে কোন প্রডাক্টের সিল খুলে দেওয়ার পর উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করে ফেলতে হয়। একবার বাতাসের সংস্পর্শে এলে কসমেটিক্সের মাইক্রোবায়োলজিকাল পরিবর্তন ও অক্সিডেশন শুরু হয়। আবার অনেকেই প্রসাধনীর একই পণ্যের একাধিক স্টক রাখেন , এবং ধারনা করেন সিল করা অবস্থায় প্রসাধনী পণ্যটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এই ধারনা সম্পূর্ণ ভুল।
প্রতিটি প্রসাধনীর যেমন উৎপাদনকাল আছে, তেমনই মেয়াদকালও আছে । তাই নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যেই সেসব প্রসাধনী ব্যবহার করে ফেলা উচিত। আবার কিছু পন্য আছে যা পন্যের গায়ে লেখা মেয়াদকালের আগেই তার মেয়াদ পার হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেসব পন্য ব্যবহার করা উচিত।
চলুন এবার জেনে নিই পন্যের গায়ে লেখা মেয়াদ ছাড়াও কোন পন্যের মেয়াদ আসলে কতদিন বা কোন প্রসাধনী কতদিন ব্যবহার করার উপযোগী থাকে -
লিকুইড আইলাইনার: লিকুইড আইলাইনার তিনমাসের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
মাস্কারা: কসমেটিক্সের মধ্যে মাস্কারা তিন থেকে ছয়মাসের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
ক্রিম আইশ্যাডো: ক্রিম আইশ্যাডো ছয়মাস পর্যন্ত ব্যবহারোপযোগী থাকে।
লিকুইড ফাউন্ডেশন: লিকুইড ফাউন্ডেশন ছয়মাস থেকে একবছর আর পাউডার হলে দেড় বছরের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
পাউডার আইশ্যাডো, লিপস্টিক ও লিপগ্লস: পাউডার আইশ্যাডো, লিপস্টিক ও লিপগ্লস দুইবছরের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
সানস্ক্রিন: সানস্ক্রিন ছয়মাসের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
নেইল পলিশ: নেইল পলিশ ১ বছর ভালো থাকবে।
লিপলাইনার: লিপলাইনার তিন বছরের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
ফেইস ক্লিঞ্জার: ফেইস ক্লিঞ্জার এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।
ফেইস টোনার: এটি একধরনের বিশেষ তরল যাতে ব্যাক্টেরিয়া সহজেই বাসা বাঁধে। টোনার ছয় মাস থেকে এক বছর ভালো থাকে। যদি এর রং, ঘনত্ব বা গন্ধে কোনো রকম পরিবর্তন হয় তাহলে তা ব্যবহার করা বাদ দিতে হবে।
ময়েশ্চারাইজার: অনেক ক্রিম এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।
সুগন্ধি: ভালোভাবে সংরক্ষণ করা হলে তা অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে। প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর।
সকল পন্যের গায়ে থাকা মেয়াদকালের আগেও অনেক পন্যের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় যা সবসময় বুঝতে পারা যায় না । আবার নকল পন্যের ছড়াছড়ি বেশি হওয়ায় পন্যের মেয়াদ তারিখের পাশাপাশি আসল-নকল পন্য চেনাও এখন খুবই দুষ্কর । তাই প্রসাধনী ব্যবহারে সচেতন হোন , মেয়াদকাল, আসল-নকল যাচাই করে পন্য কিনুন, এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্তই সেসব ব্যবহার করুন । মনে রাখবেন, সামান্য অসচেতনতা বা অসাবধানতা অনেক বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।
Write your opinion :
Read more
সাজগোজের জন্য প্রায় সকলেই বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। এবং সকলেই জানেন এসব প্রসাধনীর একটি নির্দিষ্ট মেয়াদকাল আছে যা পার হলে এসব প্রসাধনী আর ব্যবহার করার উপযোগী থাকে না। অনেকেই জানেন না যে কোন প্রডাক্টের সিল খুলে দেওয়ার পর উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার করে ফেলতে হয়। একবার বাতাসের সংস্পর্শে এলে কসমেটিক্সের মাইক্রোবায়োলজিকাল পরিবর্তন ও অক্সিডেশন শুরু হয়। আবার অনেকেই প্রসাধনীর একই পণ্যের একাধিক স্টক রাখেন , এবং ধারনা করেন সিল করা অবস্থায় প্রসাধনী পণ্যটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। কিন্তু এই ধারনা সম্পূর্ণ ভুল।
প্রতিটি প্রসাধনীর যেমন উৎপাদনকাল আছে, তেমনই মেয়াদকালও আছে । তাই নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যেই সেসব প্রসাধনী ব্যবহার করে ফেলা উচিত। আবার কিছু পন্য আছে যা পন্যের গায়ে লেখা মেয়াদকালের আগেই তার মেয়াদ পার হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেসব পন্য ব্যবহার করা উচিত।
চলুন এবার জেনে নিই পন্যের গায়ে লেখা মেয়াদ ছাড়াও কোন পন্যের মেয়াদ আসলে কতদিন বা কোন প্রসাধনী কতদিন ব্যবহার করার উপযোগী থাকে -
লিকুইড আইলাইনার: লিকুইড আইলাইনার তিনমাসের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
মাস্কারা: কসমেটিক্সের মধ্যে মাস্কারা তিন থেকে ছয়মাসের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
ক্রিম আইশ্যাডো: ক্রিম আইশ্যাডো ছয়মাস পর্যন্ত ব্যবহারোপযোগী থাকে।
লিকুইড ফাউন্ডেশন: লিকুইড ফাউন্ডেশন ছয়মাস থেকে একবছর আর পাউডার হলে দেড় বছরের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
পাউডার আইশ্যাডো, লিপস্টিক ও লিপগ্লস: পাউডার আইশ্যাডো, লিপস্টিক ও লিপগ্লস দুইবছরের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
সানস্ক্রিন: সানস্ক্রিন ছয়মাসের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
নেইল পলিশ: নেইল পলিশ ১ বছর ভালো থাকবে।
লিপলাইনার: লিপলাইনার তিন বছরের বেশি ব্যবহার করা ঠিক নয়।
ফেইস ক্লিঞ্জার: ফেইস ক্লিঞ্জার এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।
ফেইস টোনার: এটি একধরনের বিশেষ তরল যাতে ব্যাক্টেরিয়া সহজেই বাসা বাঁধে। টোনার ছয় মাস থেকে এক বছর ভালো থাকে। যদি এর রং, ঘনত্ব বা গন্ধে কোনো রকম পরিবর্তন হয় তাহলে তা ব্যবহার করা বাদ দিতে হবে।
ময়েশ্চারাইজার: অনেক ক্রিম এক বছর পর্যন্ত ভালো থাকে।
সুগন্ধি: ভালোভাবে সংরক্ষণ করা হলে তা অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকে। প্রায় ৮ থেকে ১০ বছর।
সকল পন্যের গায়ে থাকা মেয়াদকালের আগেও অনেক পন্যের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় যা সবসময় বুঝতে পারা যায় না । আবার নকল পন্যের ছড়াছড়ি বেশি হওয়ায় পন্যের মেয়াদ তারিখের পাশাপাশি আসল-নকল পন্য চেনাও এখন খুবই দুষ্কর । তাই প্রসাধনী ব্যবহারে সচেতন হোন , মেয়াদকাল, আসল-নকল যাচাই করে পন্য কিনুন, এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্তই সেসব ব্যবহার করুন । মনে রাখবেন, সামান্য অসচেতনতা বা অসাবধানতা অনেক বড় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।
Write your opinion :