Lifestyle Rhetoric
পারফেক্ট সাজ তখন, গায়ের রঙের সাথে মানানসই লিপস্টিক যখন !
নিজেকে আরো আকর্ষণীয় দেখাতে আমরা সাজগোজ করে থাকি। আর সাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল ঠোঁটে লিপস্টিক পরা। কিন্তু যখন গায়ের বা ত্বকের রঙের সঙ্গে মানানসই হয় না লিপস্টিকের রং, তখন নিজেকে দেখতেও বিশ্রী লাগে।
চলুন আজকে জেনে নেই , কেমন গায়ের / ত্বকের রঙের সাথে কোন লিপস্টিক মানানসই হয় -
শ্যামবর্ণ ত্বক:
অনেকেই মনে করেন শ্যামবর্ণ হলে বোধহয় লিপস্টিকের শেড নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করা যাবে না! এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা! সত্যি বলতে শ্যামবর্ণরা খুব সহজেই গাঢ় শেডের লিপস্টিক পরতে পারেন। ওয়াইন, লাল, রাস্ট, কিছু বিশেষ শেডের কমলার মতো লিপস্টিক আপনাদের পক্ষে দারুণ মানানসই!
গমরঙা ত্বক:
মাঝারি গায়ের রঙের মতোই গমরঙা ত্বকেও অজস্র শেডের লিপস্টিক মানিয়ে যায়। কোরাল, রাস্ট, মেরুন, খয়েরি, নানান শেডের লিপস্টিক পরতে পারেন স্বচ্ছন্দে!
মাঝারি রং:
গায়ের রং যাঁদের মাঝারি, তাঁদের বেশিরভাগেরই হলুদ আর গোলাপি আন্ডারটোন থাকে। ফলে লিপস্টিকের শেড নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করার ক্ষেত্রটাও তাঁদের বিশাল! বেরি, মভ, পিঙ্ক ন্যুড, লাল, কফি ব্রাউন – লিপস্টিকের বিশাল সম্ভার থেকে বেছে নিন যেটা ইচ্ছে!
ফরসা রং:
যে সব মেয়ে ফরসা, তাঁদের ত্বকের আন্ডারটোন সাধারণত গোলাপি ঘেঁষা হয়, ফলে গোলাপির নানা শেড তাঁরা চোখ বন্ধ করে পরতে পারেন। হালকা গোলাপি, বেবি পিঙ্ক, ফুশিয়া তাঁদের উপযোগী। এমনকী, একটু চড়া মেকআপ করতে চাইলে বেছে নেওয়া যায় নিয়ন পিঙ্কও।
মানুষ মানেই কেউ ফরসা, কেউ শ্যামলা আবার কেউ বা কালো। গায়ের রঙ যেমনই হোক সাজতে আমরা কমবেশি সবাই ই ভালোবাসি। নিজেকে অন্যের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে আমরা সাজগোজকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকি। তবে সাজগোজের সময় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে নিজের ত্বকের বর্ণের সাথে মানানসইয়ের ব্যাপারটি। নতুবা, সাজগোজের ফিনিশিং যতই ভালো হোক না কেন, গায়ের রঙের সাথে অমিল থাকায় নিজের কাছেই অস্বস্তিবোধ হবে, অন্যের কাছেও দৃষ্টিকটু লাগবে।
Lifestyle Rhetoric
পারফেক্ট সাজ তখন, গায়ের রঙের সাথে মানানসই লিপস্টিক যখন !
নিজেকে আরো আকর্ষণীয় দেখাতে আমরা সাজগোজ করে থাকি। আর সাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল ঠোঁটে লিপস্টিক পরা। কিন্তু যখন গায়ের বা ত্বকের রঙের সঙ্গে মানানসই হয় না লিপস্টিকের রং, তখন নিজেকে দেখতেও বিশ্রী লাগে।
চলুন আজকে জেনে নেই , কেমন গায়ের / ত্বকের রঙের সাথে কোন লিপস্টিক মানানসই হয় -
শ্যামবর্ণ ত্বক:
অনেকেই মনে করেন শ্যামবর্ণ হলে বোধহয় লিপস্টিকের শেড নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করা যাবে না! এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা! সত্যি বলতে শ্যামবর্ণরা খুব সহজেই গাঢ় শেডের লিপস্টিক পরতে পারেন। ওয়াইন, লাল, রাস্ট, কিছু বিশেষ শেডের কমলার মতো লিপস্টিক আপনাদের পক্ষে দারুণ মানানসই!
গমরঙা ত্বক:
মাঝারি গায়ের রঙের মতোই গমরঙা ত্বকেও অজস্র শেডের লিপস্টিক মানিয়ে যায়। কোরাল, রাস্ট, মেরুন, খয়েরি, নানান শেডের লিপস্টিক পরতে পারেন স্বচ্ছন্দে!
মাঝারি রং:
গায়ের রং যাঁদের মাঝারি, তাঁদের বেশিরভাগেরই হলুদ আর গোলাপি আন্ডারটোন থাকে। ফলে লিপস্টিকের শেড নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করার ক্ষেত্রটাও তাঁদের বিশাল! বেরি, মভ, পিঙ্ক ন্যুড, লাল, কফি ব্রাউন – লিপস্টিকের বিশাল সম্ভার থেকে বেছে নিন যেটা ইচ্ছে!
ফরসা রং:
যে সব মেয়ে ফরসা, তাঁদের ত্বকের আন্ডারটোন সাধারণত গোলাপি ঘেঁষা হয়, ফলে গোলাপির নানা শেড তাঁরা চোখ বন্ধ করে পরতে পারেন। হালকা গোলাপি, বেবি পিঙ্ক, ফুশিয়া তাঁদের উপযোগী। এমনকী, একটু চড়া মেকআপ করতে চাইলে বেছে নেওয়া যায় নিয়ন পিঙ্কও।
মানুষ মানেই কেউ ফরসা, কেউ শ্যামলা আবার কেউ বা কালো। গায়ের রঙ যেমনই হোক সাজতে আমরা কমবেশি সবাই ই ভালোবাসি। নিজেকে অন্যের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে আমরা সাজগোজকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকি। তবে সাজগোজের সময় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে নিজের ত্বকের বর্ণের সাথে মানানসইয়ের ব্যাপারটি। নতুবা, সাজগোজের ফিনিশিং যতই ভালো হোক না কেন, গায়ের রঙের সাথে অমিল থাকায় নিজের কাছেই অস্বস্তিবোধ হবে, অন্যের কাছেও দৃষ্টিকটু লাগবে।
Write your opinion :
Read more
নিজেকে আরো আকর্ষণীয় দেখাতে আমরা সাজগোজ করে থাকি। আর সাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল ঠোঁটে লিপস্টিক পরা। কিন্তু যখন গায়ের বা ত্বকের রঙের সঙ্গে মানানসই হয় না লিপস্টিকের রং, তখন নিজেকে দেখতেও বিশ্রী লাগে।
চলুন আজকে জেনে নেই , কেমন গায়ের / ত্বকের রঙের সাথে কোন লিপস্টিক মানানসই হয় -
শ্যামবর্ণ ত্বক:
অনেকেই মনে করেন শ্যামবর্ণ হলে বোধহয় লিপস্টিকের শেড নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করা যাবে না! এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা! সত্যি বলতে শ্যামবর্ণরা খুব সহজেই গাঢ় শেডের লিপস্টিক পরতে পারেন। ওয়াইন, লাল, রাস্ট, কিছু বিশেষ শেডের কমলার মতো লিপস্টিক আপনাদের পক্ষে দারুণ মানানসই!
গমরঙা ত্বক:
মাঝারি গায়ের রঙের মতোই গমরঙা ত্বকেও অজস্র শেডের লিপস্টিক মানিয়ে যায়। কোরাল, রাস্ট, মেরুন, খয়েরি, নানান শেডের লিপস্টিক পরতে পারেন স্বচ্ছন্দে!
মাঝারি রং:
গায়ের রং যাঁদের মাঝারি, তাঁদের বেশিরভাগেরই হলুদ আর গোলাপি আন্ডারটোন থাকে। ফলে লিপস্টিকের শেড নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করার ক্ষেত্রটাও তাঁদের বিশাল! বেরি, মভ, পিঙ্ক ন্যুড, লাল, কফি ব্রাউন – লিপস্টিকের বিশাল সম্ভার থেকে বেছে নিন যেটা ইচ্ছে!
ফরসা রং:
যে সব মেয়ে ফরসা, তাঁদের ত্বকের আন্ডারটোন সাধারণত গোলাপি ঘেঁষা হয়, ফলে গোলাপির নানা শেড তাঁরা চোখ বন্ধ করে পরতে পারেন। হালকা গোলাপি, বেবি পিঙ্ক, ফুশিয়া তাঁদের উপযোগী। এমনকী, একটু চড়া মেকআপ করতে চাইলে বেছে নেওয়া যায় নিয়ন পিঙ্কও।
মানুষ মানেই কেউ ফরসা, কেউ শ্যামলা আবার কেউ বা কালো। গায়ের রঙ যেমনই হোক সাজতে আমরা কমবেশি সবাই ই ভালোবাসি। নিজেকে অন্যের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে আমরা সাজগোজকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকি। তবে সাজগোজের সময় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে নিজের ত্বকের বর্ণের সাথে মানানসইয়ের ব্যাপারটি। নতুবা, সাজগোজের ফিনিশিং যতই ভালো হোক না কেন, গায়ের রঙের সাথে অমিল থাকায় নিজের কাছেই অস্বস্তিবোধ হবে, অন্যের কাছেও দৃষ্টিকটু লাগবে।
Write your opinion :