Bangladesh District
জ্বরে এক পরিবারের দুজনের মৃত্যু
মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয় উপজেলায় হঠাৎ অসুস্থতায় শিশুসহ একই পরিবারের দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার উপজেলার জসলদিয়া এলাকায় ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে ওই দুজনের মৃত্যু হয়।
নিহত ব্যক্তিরা হলো জসলদিয়া গ্রামের মীর সোহেলের ছেলে মীর আবদুর রহমান (৩) ও সোহেলের ভাবি শামীমা বেগম (৩৪)।
নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের দাবি, দুজনই হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। অল্প সময়ের মধ্যে একই পরিবারের দুজনের মৃত্যুতে ওই এলাকার মানুষের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
শামীমার দেবর মীর মো. শিবলু জানান, তাঁর ভাবি গত শনিবার সকালে শরীরে জ্বর অনুভব করছিলেন। দুপুরে জ্বরের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। রাতে জ্বর আরও বাড়ে। একই সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশে চাক চাক রক্তের দাগসদৃশ কিছু দৃশ্যমান হয়। গতকাল সকাল নয়টার দিকে তিনি মারা যান।
শিশু আবদুর রহমানের মা পপি আক্তার বলেন, ‘আমার জা শামীমাকে গতকাল বিকেলে দাফন করা হয়। সে সময় থেকে ছেলের জ্বর শুরু হয়। শামীমার শরীরে যেসব লক্ষণ দেখা দিয়েছিল, একই রকম লক্ষণ আমার ছেলের শরীরেও দেখা দেয়। কোনো রকম চিকিৎসা দেওয়ার আগেই রাত দুইটার দিকে ছটফট করতে করতে মারা যায়।’
মো. শিবলু বলেন, এমন রোগ এর আগে তাঁরা কেউ দেখেনি। তাঁর দাবি, এটা করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণেই হয়েছে।
এ ঘটনায় পর আজ সোমবার সকালে সিভিল সার্জন অফিস ও উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মেডিকেল টিম পাঠানো হয়। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
মুন্সিগঞ্জ সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ জানান, লক্ষণ দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি করোনাভাইরাস নয়। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন। এ ছাড়া ওই এলাকায় এমন রোগী আর আছে কি না, তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Bangladesh District
জ্বরে এক পরিবারের দুজনের মৃত্যু
মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয় উপজেলায় হঠাৎ অসুস্থতায় শিশুসহ একই পরিবারের দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার উপজেলার জসলদিয়া এলাকায় ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে ওই দুজনের মৃত্যু হয়।
নিহত ব্যক্তিরা হলো জসলদিয়া গ্রামের মীর সোহেলের ছেলে মীর আবদুর রহমান (৩) ও সোহেলের ভাবি শামীমা বেগম (৩৪)।
নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের দাবি, দুজনই হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। অল্প সময়ের মধ্যে একই পরিবারের দুজনের মৃত্যুতে ওই এলাকার মানুষের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
শামীমার দেবর মীর মো. শিবলু জানান, তাঁর ভাবি গত শনিবার সকালে শরীরে জ্বর অনুভব করছিলেন। দুপুরে জ্বরের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। রাতে জ্বর আরও বাড়ে। একই সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশে চাক চাক রক্তের দাগসদৃশ কিছু দৃশ্যমান হয়। গতকাল সকাল নয়টার দিকে তিনি মারা যান।
শিশু আবদুর রহমানের মা পপি আক্তার বলেন, ‘আমার জা শামীমাকে গতকাল বিকেলে দাফন করা হয়। সে সময় থেকে ছেলের জ্বর শুরু হয়। শামীমার শরীরে যেসব লক্ষণ দেখা দিয়েছিল, একই রকম লক্ষণ আমার ছেলের শরীরেও দেখা দেয়। কোনো রকম চিকিৎসা দেওয়ার আগেই রাত দুইটার দিকে ছটফট করতে করতে মারা যায়।’
মো. শিবলু বলেন, এমন রোগ এর আগে তাঁরা কেউ দেখেনি। তাঁর দাবি, এটা করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণেই হয়েছে।
এ ঘটনায় পর আজ সোমবার সকালে সিভিল সার্জন অফিস ও উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মেডিকেল টিম পাঠানো হয়। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
মুন্সিগঞ্জ সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ জানান, লক্ষণ দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি করোনাভাইরাস নয়। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন। এ ছাড়া ওই এলাকায় এমন রোগী আর আছে কি না, তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Write your opinion :
Read more
মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয় উপজেলায় হঠাৎ অসুস্থতায় শিশুসহ একই পরিবারের দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার উপজেলার জসলদিয়া এলাকায় ১৭ ঘণ্টার ব্যবধানে ওই দুজনের মৃত্যু হয়।
নিহত ব্যক্তিরা হলো জসলদিয়া গ্রামের মীর সোহেলের ছেলে মীর আবদুর রহমান (৩) ও সোহেলের ভাবি শামীমা বেগম (৩৪)।
নিহত ব্যক্তিদের স্বজনদের দাবি, দুজনই হঠাৎ করে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। অল্প সময়ের মধ্যে একই পরিবারের দুজনের মৃত্যুতে ওই এলাকার মানুষের আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
শামীমার দেবর মীর মো. শিবলু জানান, তাঁর ভাবি গত শনিবার সকালে শরীরে জ্বর অনুভব করছিলেন। দুপুরে জ্বরের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। স্থানীয় চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। রাতে জ্বর আরও বাড়ে। একই সঙ্গে শরীরের বিভিন্ন অংশে চাক চাক রক্তের দাগসদৃশ কিছু দৃশ্যমান হয়। গতকাল সকাল নয়টার দিকে তিনি মারা যান।
শিশু আবদুর রহমানের মা পপি আক্তার বলেন, ‘আমার জা শামীমাকে গতকাল বিকেলে দাফন করা হয়। সে সময় থেকে ছেলের জ্বর শুরু হয়। শামীমার শরীরে যেসব লক্ষণ দেখা দিয়েছিল, একই রকম লক্ষণ আমার ছেলের শরীরেও দেখা দেয়। কোনো রকম চিকিৎসা দেওয়ার আগেই রাত দুইটার দিকে ছটফট করতে করতে মারা যায়।’
মো. শিবলু বলেন, এমন রোগ এর আগে তাঁরা কেউ দেখেনি। তাঁর দাবি, এটা করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণেই হয়েছে।
এ ঘটনায় পর আজ সোমবার সকালে সিভিল সার্জন অফিস ও উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মেডিকেল টিম পাঠানো হয়। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
মুন্সিগঞ্জ সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ জানান, লক্ষণ দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি করোনাভাইরাস নয়। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন। এ ছাড়া ওই এলাকায় এমন রোগী আর আছে কি না, তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Write your opinion :