Bangladesh Crime
আবরার হত্যায় গ্রেপ্তার বুয়েটের প্রাক্তন ছাত্র
আবরার ফাহাদ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বুয়েটের প্রাক্তন ছাত্র, নাম এস এম মাহমুদ (সেতু)। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করল।
গোয়েন্দা বিভাগ সূত্র জানায়, এস এম মাহমুদকে রাজধানীর বাংলামোটর থেকে গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবরার হত্যা মামলার এজাহারে মাহমুদের নাম উল্লেখ নেই। তবে এই মামলায় যেসব আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, তাঁদের বক্তব্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণে মাহমুদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। সে কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাহমুদ জানান, তিনি বুয়েটের ১৪তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। চলতি বছরের এপ্রিলে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক পাস করেছেন। তিনি মানিকগঞ্জের একটি ওষুধ কোম্পানিতে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিলেও থাকতেন বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১২ নম্বর কক্ষে।
৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বুয়েটের তড়িৎ কৌশল বিভাগের ছাত্র আবরার ফাহাদকে শেরেবাংলা হলে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
Bangladesh Crime
আবরার হত্যায় গ্রেপ্তার বুয়েটের প্রাক্তন ছাত্র
আবরার ফাহাদ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বুয়েটের প্রাক্তন ছাত্র, নাম এস এম মাহমুদ (সেতু)। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করল।
গোয়েন্দা বিভাগ সূত্র জানায়, এস এম মাহমুদকে রাজধানীর বাংলামোটর থেকে গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবরার হত্যা মামলার এজাহারে মাহমুদের নাম উল্লেখ নেই। তবে এই মামলায় যেসব আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, তাঁদের বক্তব্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণে মাহমুদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। সে কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাহমুদ জানান, তিনি বুয়েটের ১৪তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। চলতি বছরের এপ্রিলে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক পাস করেছেন। তিনি মানিকগঞ্জের একটি ওষুধ কোম্পানিতে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিলেও থাকতেন বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১২ নম্বর কক্ষে।
৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বুয়েটের তড়িৎ কৌশল বিভাগের ছাত্র আবরার ফাহাদকে শেরেবাংলা হলে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
Write your opinion :
Read more
আবরার ফাহাদ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বুয়েটের প্রাক্তন ছাত্র, নাম এস এম মাহমুদ (সেতু)। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করল।
গোয়েন্দা বিভাগ সূত্র জানায়, এস এম মাহমুদকে রাজধানীর বাংলামোটর থেকে গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবরার হত্যা মামলার এজাহারে মাহমুদের নাম উল্লেখ নেই। তবে এই মামলায় যেসব আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন, তাঁদের বক্তব্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণে মাহমুদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। সে কারণেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাহমুদ জানান, তিনি বুয়েটের ১৪তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। চলতি বছরের এপ্রিলে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে স্নাতক পাস করেছেন। তিনি মানিকগঞ্জের একটি ওষুধ কোম্পানিতে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিলেও থাকতেন বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১২ নম্বর কক্ষে।
৬ অক্টোবর দিবাগত রাতে বুয়েটের তড়িৎ কৌশল বিভাগের ছাত্র আবরার ফাহাদকে শেরেবাংলা হলে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ ১৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
Write your opinion :