Bangladesh Justice

দুই নবজাতক পাচারের দায়ে ২ জনের যাবজ্জীবন


নিউজরুম ডেস্ক
Wednesday, 12 June 2019 03:41
NewsRoom

এই দুই নবজাতককে পাচার করা হয়েছিল। ফাইল ছবি


আদালত দুই নবজাতক পাচারের মামলায় দুই মানবপাচারকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার আজ মঙ্গলবার এ রায় দেন। 

দণ্ডিত দুই আসামি হলেন সিরাজগঞ্জের ঝর্ণা বেগম ও নারায়ণগঞ্জের মানিক। আদালত রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে পাঠিয়েছেন এবং মামলা থেকে দুই আসামি আবদুল মতিন ও শিলা বেগম খালাস পেয়েছেন।

উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল কবীর ২০০৬ সালের ১২ জানুয়ারি দুই নবজাতক চুরি ও পাচারের অভিযোগে খিলগাঁও থানায় মামলা করেন। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ৬ জানুয়ারি খিলগাঁও এলাকায় ঝর্ণা বেগম আট থেকে দশ দিন বয়সী ছেলে নবজাতকসহ আটক হন। ঝর্ণা বেগম তখন জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করেন, ওই বাচ্চা তাঁর নয়। এ ছাড়া তাঁর হেফাজতে আরও একটি কন্যা নবজাতক আছে রামপুরায়। তখন পুলিশ রামপুরা থেকে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে। ঝর্ণা জানান, ছেলে শিশুটি তিনি নিয়ে আসেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মানিক মিয়ার কাছ থেকে। পরে মানিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর কন্যা শিশুটি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দারোয়ান আবদুল মতিনের কাছ থেকে নিয়ে আসেন বলে পুলিশকে জানান।

খিলগাঁও থানার এসআই আবুল খায়ের ২০০৬ সালের ২৬ মার্চ তদন্ত শেষে ঝর্ণা বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। নবজাতক দুটির প্রকৃত অভিভাবক পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। মামলায় ১৫ জনের মধ্যে নয়জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

বাচ্চা দুটি চুরি করার কথা স্বীকার করে আসামি মানিক ও ঝর্ণা বেগম আদালতে জবানবন্দি দেন। ঝর্ণা বেগম শিশু বাচ্চা সংগ্রহ করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাচার করেন বলে ঝর্ণাকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতকে পুলিশ এক প্রতিবেদন দিয়ে জানিয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে আসামি দুবাই ছিলেন।

Write your opinion :

Data

Bangladesh Justice

দুই নবজাতক পাচারের দায়ে ২ জনের যাবজ্জীবন


নিউজরুম ডেস্ক
Wednesday, 12 June 2019 03:41
NewsRoom

এই দুই নবজাতককে পাচার করা হয়েছিল। ফাইল ছবি


আদালত দুই নবজাতক পাচারের মামলায় দুই মানবপাচারকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার আজ মঙ্গলবার এ রায় দেন। 

দণ্ডিত দুই আসামি হলেন সিরাজগঞ্জের ঝর্ণা বেগম ও নারায়ণগঞ্জের মানিক। আদালত রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে পাঠিয়েছেন এবং মামলা থেকে দুই আসামি আবদুল মতিন ও শিলা বেগম খালাস পেয়েছেন।

উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল কবীর ২০০৬ সালের ১২ জানুয়ারি দুই নবজাতক চুরি ও পাচারের অভিযোগে খিলগাঁও থানায় মামলা করেন। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ৬ জানুয়ারি খিলগাঁও এলাকায় ঝর্ণা বেগম আট থেকে দশ দিন বয়সী ছেলে নবজাতকসহ আটক হন। ঝর্ণা বেগম তখন জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করেন, ওই বাচ্চা তাঁর নয়। এ ছাড়া তাঁর হেফাজতে আরও একটি কন্যা নবজাতক আছে রামপুরায়। তখন পুলিশ রামপুরা থেকে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে। ঝর্ণা জানান, ছেলে শিশুটি তিনি নিয়ে আসেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মানিক মিয়ার কাছ থেকে। পরে মানিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর কন্যা শিশুটি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দারোয়ান আবদুল মতিনের কাছ থেকে নিয়ে আসেন বলে পুলিশকে জানান।

খিলগাঁও থানার এসআই আবুল খায়ের ২০০৬ সালের ২৬ মার্চ তদন্ত শেষে ঝর্ণা বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। নবজাতক দুটির প্রকৃত অভিভাবক পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। মামলায় ১৫ জনের মধ্যে নয়জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

বাচ্চা দুটি চুরি করার কথা স্বীকার করে আসামি মানিক ও ঝর্ণা বেগম আদালতে জবানবন্দি দেন। ঝর্ণা বেগম শিশু বাচ্চা সংগ্রহ করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাচার করেন বলে ঝর্ণাকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতকে পুলিশ এক প্রতিবেদন দিয়ে জানিয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে আসামি দুবাই ছিলেন।

Write your opinion :


দুই নবজাতক পাচারের দায়ে ২ জনের যাবজ্জীবন

নিউজরুম ডেস্ক Wednesday, 12 June 2019 03:41 NewsRoom

এই দুই নবজাতককে পাচার করা হয়েছিল। ফাইল ছবি


আদালত দুই নবজাতক পাচারের মামলায় দুই মানবপাচারকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক জয়শ্রী সমাদ্দার আজ মঙ্গলবার এ রায় দেন। 

দণ্ডিত দুই আসামি হলেন সিরাজগঞ্জের ঝর্ণা বেগম ও নারায়ণগঞ্জের মানিক। আদালত রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে পাঠিয়েছেন এবং মামলা থেকে দুই আসামি আবদুল মতিন ও শিলা বেগম খালাস পেয়েছেন।

উপপরিদর্শক (এসআই) এনামুল কবীর ২০০৬ সালের ১২ জানুয়ারি দুই নবজাতক চুরি ও পাচারের অভিযোগে খিলগাঁও থানায় মামলা করেন। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৬ সালের ৬ জানুয়ারি খিলগাঁও এলাকায় ঝর্ণা বেগম আট থেকে দশ দিন বয়সী ছেলে নবজাতকসহ আটক হন। ঝর্ণা বেগম তখন জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বীকার করেন, ওই বাচ্চা তাঁর নয়। এ ছাড়া তাঁর হেফাজতে আরও একটি কন্যা নবজাতক আছে রামপুরায়। তখন পুলিশ রামপুরা থেকে ওই নবজাতককে উদ্ধার করে। ঝর্ণা জানান, ছেলে শিশুটি তিনি নিয়ে আসেন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার মানিক মিয়ার কাছ থেকে। পরে মানিক মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর কন্যা শিশুটি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দারোয়ান আবদুল মতিনের কাছ থেকে নিয়ে আসেন বলে পুলিশকে জানান।

খিলগাঁও থানার এসআই আবুল খায়ের ২০০৬ সালের ২৬ মার্চ তদন্ত শেষে ঝর্ণা বেগমসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। নবজাতক দুটির প্রকৃত অভিভাবক পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। মামলায় ১৫ জনের মধ্যে নয়জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

বাচ্চা দুটি চুরি করার কথা স্বীকার করে আসামি মানিক ও ঝর্ণা বেগম আদালতে জবানবন্দি দেন। ঝর্ণা বেগম শিশু বাচ্চা সংগ্রহ করে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পাচার করেন বলে ঝর্ণাকে গ্রেপ্তার করার পর আদালতকে পুলিশ এক প্রতিবেদন দিয়ে জানিয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে আসামি দুবাই ছিলেন।


2020 All Rights Reserved | www.newsroombd.com.bd
+8801554927951 info@newsroom.com.bd